|
 |
¦ |
|
|
| পরবর্তী সংবাদ » |
চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রতিশ্রুত ঋণ, অনুদান এবং প্রকল্প সহায়তার অর্থ ছাড় করার ক্ষেত্রে দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছে না সরকার। অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থা ৬ কোটি ডলারের কিছু বেশি প্রায় ৪২৭ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ ছাড় করে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের এ ছাড় ২০০৯-১০ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। গেলো অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ঋণ, অনুদান এবং প্রকল্প সহায়তা মিলে ছাড় করা হয়েছিল ১১ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। ইআরডি সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে প্রথম দুই মাসে ৫ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার ডলার অর্থাৎ ৪শ ৪ কোটি টাকার মতো ছাড় করা হয়েছে ঋণ সহায়তা হিসেবে। আর ৩৩ লাখ ৩১ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে অনুদান হিসেবে।গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ঋণ হিসেবে ছাড় করা হয়েছিল ১০ কোটি ৭৩ লাখ ডলার বা সাড়ে ৭শ কোটি টাকা। অনুদান হিসেবে ছাড় করা হয়েছিল ৭২ লাখ ডলার বা ৫ হাজার ১শ কোটি টাকা।তবে বাংলাদেশ এ অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি আদায় করতে পেরেছে অনেক বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ১৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ৯ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১শ কোটি ডলার বা প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক কয়েকটি প্রকল্পের বিপরীতে এ পর্যন্ত ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ২ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকার অর্থসহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।জানা যায়, এসব প্রতিশ্রুতির বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশ মোট ৬ কোটি ডলারের কিছু বেশি বা প্রায় ৪২৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে। এর মধ্যে ৫ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার ডলার বা ৪শ ৪ কোটি টাকার মতো ছাড় করা হয়েছে ঋণ সহায়তা হিসেবে। ৩৩ লাখ ৩১ হাজার ডলার বা প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে অনুদান হিসেবে। ইআরডি সূত্র আরো জানায়, চলতি অর্থবছরে ৬৫০ কোটি ডলার বা ৪৫ হাজার ৫শ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। যা দেশের ইতিহাসে ঋণ, অনুদান এবং প্রকল্প সহায়তা পাওয়ার হিসাবে একটি রেকর্ড। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতি আদায় করার রেকর্ড ২৮৪ কোটি ডলার বা প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে এই প্রতিশ্রুতির রেকর্ড হয়েছিল। এবার প্রতিশ্রুতির সকল রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে চলতি অর্থবছরে কমপক্ষে প্রায় ২৮০ কোটি ডলার বা প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক সহায়তা ছাড় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তার প্রাক্কলন করা হয়েছিল। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের জন্য ১৫ হাজার ৩শ কোটি টাকা আর বাজেট সাপোর্টসহ অন্যান্য খাতের জন্য ৪ হাজার ২শ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সৌজন্যে- শীর্ষ নিউজ ডটকম