ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মে ২০১১. ২০ বৈশাখ ১৪১৮, ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

« পূর্ববর্তী সংবাদ
¦

ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন যুগলবন্দি হলেন গত শুক্রবার। বর প্রিন্স উইলিয়ামের পরনে আইরিশ কর্নেলের লাল রঙের, আর কনে মিডলটনের পরনে লম্বা সাদা গ্রাউন। ইংলিশ সংগীতের মধ্য দিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু। এরপর প্রিন্স উইলিয়াম কনে মিডলটনের তর্জনিতে পরিয়ে দিলেন বিয়ের আংটি। প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের বিয়ে সম্পন্ন হয় লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার গীর্জায়। বিয়ে পড়ানো শেষে তুমুল করতালির মধ্যে অতিথিরা নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানায়। এ সময় গীর্জায় রানী এলিজাবেথ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উইলিয়ামের বাবা প্রিন্স চার্লস এবং সৎ মা ক্যামিলা পার্কার, ভাই প্রিন্স হ্যারি ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। অন্যদিকে কেটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা, বোন এবং দেশ-বিদেশের ১৯০০ অতিথি। তাদের সামনেই শপথ করেন এ নবদম্পতি। কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হয় এক ঘণ্টার বিয়ের অনুষ্ঠানটি। বিয়ে শেষে একশ' বছরেরও পুরনো রাজকীয় খোলা একটি ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে ওয়েস্টমিনস্টার গীর্জা থেকে বাকিংহাম রাজপ্রাসাদে ফেরেন বর-কনে। সামনে পেছনে ছিল অশ্বারোহী বাহিনী। রাস্তার দু'পাশে লাখ লাখ মানুষ বর-কনেকে হর্ষধ্বনি দিয়ে অভিনন্দন জানায়। এ সময় প্রায় ৬ লাখ লোক রাস্তার দু'ধারে অবস্থান নিয়েছিলো। ওয়েস্টমিনস্টার গীর্জা ও বাকিংহাম প্রাসাদের সামনে আগের দিন থেকেই অনেকে পরিবার নিয়ে উপস্থিত হন ব্রিটিশ পরিবারের এ নবযুগলকে দেখার জন্য। তাঁবু খাটিয়েই তারা কাটিয়েছেন আগের দিনের রাতটুকু। প্রায় ৩০ বছর পর লন্ডনে এত বড় মাপের এক বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। ১৯৮১ সালে উইলিয়ামের বাবা-মা চার্লস ও ডায়ানার বিয়েকে কেন্দ্র করে যে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল, শুক্রবারের অনুষ্ঠান তার মাত্রা দ্বিগুণ ছাড়িয়েছে বলে উপস্থিত অনেকেই জানান। তাদের হাতে ছিল ব্রিটেন ও অন্যান্য দেশের পতাকা এবং বিয়ে উপলক্ষে তৈরি বিভিন্ন স্মারক। কেউ আবার নিজের শরীরেই এঁকেছেন উইলিয়াম-কেটের ছবি। আর তাদের শান্ত রাখতে বিয়ের সময় প্রায় ৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্ব পালন করে। উইলিয়াম ও কেট বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া-আসার রাস্তায় নিয়োজিত ছিলো প্রায় ১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী। এ সময় গোয়েন্দা সদস্যরাও সাধারণ পোশাকে জনগণের মধ্যে ছিলেন। এদিকে, গোটা বিশ্বে সরাসরি সমপ্রচার নিশ্চিত করতে তৎপর ছিল টেলিভিশন সংস্থাগুলো। অনুমান করা হচ্ছে, প্রায় ২০০ কোটি মানুষ বিয়ের এই অনুষ্ঠান টেলিভিশনে সরাসরি দেখেছেন।নতুন খেতাবে নবদম্পতিউইলিয়াম ও কেটকে বিয়ের পর ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ নামে ডাকা হবে। রানী এলিজাবেথ নাতি ও নাতবউয়ের জন্য এ নাম স্থির করেছেন। বিয়ের আগেই রানীর এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সর্বশেষ ডিউক অব কেমব্রিজ খেতাবে ভূষিত হন বিখ্যাত সেনাব্যক্তিত্ব ও তৃতীয় জর্জের নাতি প্রিন্স জর্জ। তিনি ১৮১৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। শুধু যে এ নামই রাখা হয়েছে তাদের, তা কিন্তু নয়। উইলিয়ামের উপাধি হতে চলেছে 'আর্ল অব স্ট্রেথার্ন' ও 'ব্যারন ক্যারিকফার্গাস' আর কেট'র হবে 'কাউন্টেস অব স্ট্রেথার্ন' ও 'ব্যারনেস ক্যারিকফার্গাস'। কেটের ছায়ায় ডায়ানাআজ থেকে ৩০ বছর আগে বিশ্ব দেখেছিল উইলিয়ামের বাবা প্রিন্স চার্লস ও মা ডায়ানা স্পেন্সার যুগলবন্দি। তবে, রাজ পরিবারের আরেকটা অনুষ্ঠান বিশ্ব দেখেছিল সারাদিন ধরে। সেটাও আবার ডায়ানাকে ঘিরেই। যা ছিলো সুন্দরী ডায়ানার শেষকৃত্য। মানবপ্রেমী প্রিন্সেস ডায়ানার কথা আজো ভুলতে পারেনা মানুষ। ব্রিটিশ রাজপরিবারের কথা মনে হলেই কারো কারো সবার আগে মনে পড়ে ডায়ানার কথাই। আজ তাই তাঁর প্রথম ছেলে উইলিয়ামের পুত্রবধূ কেটের ছায়ায় প্রিন্সেস ডায়ানাকেই খুঁজছিল অনেকে। আবার অনেককেই বলতে শোনা যায় কে বেশি সুন্দর, ডায়ানা নাকি কেট? কিন্তু অনেকেই আবার কেটকে ডায়ানার সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ। তবে, তুলনা যাই হোক না কেন, তাদের মধ্যে মিল রয়েছে অনেক। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মিলটি হচ্ছে দু'জনকেই সমর্থন জানিয়েছে বিশ্ব। শুধু তাই নয়, মিডিয়াও যেন সবসময় দু'জনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যদিও ২০ বছরের ডায়ানাকে বিয়ে করতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না প্রিন্স চার্লস। তিনি পছন্দ করতেন বিবাহিত ক্যামিলা পার্কার্স বোলসকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবারের চাপেই প্রিন্সেস ডায়ানাকেই মেনে নিতে হয়। আর অন্যদিকে, ২৯ বছর বয়সী কেট মিডলটন সার্থক। ২৮ বছরের উইলিয়ামের সঙ্গে তিনি চুটিয়ে প্রেম করেছেন প্রায় ৮ বছর। সে হিসেবে কেটকে না মানার প্রশ্নই আসে না উইলিয়ামের। ডায়ানা আর কেটকে নিয়ে যোগ-বিয়োগ যাই কষা যাক না কেন, এ অনুষ্ঠানে বিশ্ব কেটের ছায়ায় ডায়ানাকেই খুঁজেছে। অনেককে বলতে দেখা গেছে, রাজকীয় এ বিয়ের আসরে ডায়ানার আত্মা ঠিকই উপস্থিত ছিল।রাজকীয় চুম্বনরাজকীয় বিয়ে বলে কথা! মানতে হয় নানা আচার-উপাচার। ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের বিয়েকে ঘিরে ছিল নানারকম আনুষ্ঠানিকতা। তবে এসব আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সবচেয়ে মজার বিষয় ছিল এই দম্পতির চুমু বিনিময়। বাকিংহাম রাজপ্রাসাদের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উইলিয়াম ও কেট একে অপরের ঠোঁটবন্দি হলেন। যাকে সবাই বলছে, রাজকীয় চুমু বিনিময়। এই দৃশ্য দেখে অভিভূত ব্যালকনির নিচে দাঁড়ানো হাজারও উৎসুক দর্শনার্থী। রাজপরিবারের এই নবদম্পতির চুমু বিনিময়ের সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস ধ্বনিতে ফেটে পড়ল দর্শনার্থীরা। জনতার উল্লাস শেষ হওয়ার আগে আরেক প্রস্থ চুমু বিনিময় করলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও রাজবধূ কেট। সঙ্গে সঙ্গে শুধু জনতার অভিবাদনই নয়, আকাশে উড়ে কেট-উইলিয়ামের চুমু বিনিময়কে স্বাগত জানাল ব্রিটিশ রাজকীয় বিমান। তবে, রাজপরিবারের বিয়েতে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া রীতি চালু করেন উইলিয়ামের বাবা প্রিন্স চার্লস ও মা ডায়ানা। আজ থেকে ৩০ বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর বাকিংহাম প্যালেসের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উপস্থিত অসংখ্য ভক্তের সামনে তাঁরা চুমু খান। এর মধ্য দিয়ে নতুন এই ধারাটি চালু হয় রাজপরিবারে। দর্শক সারিতে উইলিয়াম-কেটব্রিটিশ রাজপরিবারে বিয়ে বলে কথা। আর তাদের এ বিয়ে উপলক্ষে কোন প্রতিযোগিতা হবে না তাতো হয়না। আর তাই বুধবার লন্ডনে আয়োজন করা হয় উইলিয়াম-কেট দম্পতির মতো দেখতে এমন জুটিদের প্রতিযোগিতা। জমকালো এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল ইজিজেট নামের একটি সংস্থা। এতে অংশ নেন শতাধিক যুগল। এ প্রতিযোগিতায় প্রথম হন সাইমন ওয়াটকিনসন-ওরসুলা রোসি জুটি। সাইমন ওয়াটকিনসন লন্ডনের হলেও তার জীবনসঙ্গী ওরসোলা রোসির বাড়ি ইতালির মিলানে। তারা শুক্রবার দর্শক সারিতে বসে উইলিয়াম ও কেটের বিয়ে দেখেছেন। উইলিয়াম-কেটের মতো দেখতে এ দম্পতিকে দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন।বিয়ের উপহারবিয়ের আগেই উইলিয়াম ও কেট ঘোষণা করেছিলেন তাদের বিয়েতে কোন উপহার নয়। উপহারের পরিবর্তে তাদেরকে দিতে হবে অর্থ। আর এই অর্থ প্রদান করা হবে বিশ্বের বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায়। এ বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে চান তারা। দাতব্য সংস্থার তালিকায় রয়েছে কানাডিয়ান কোস্ট অক্সিলারি এবং অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল ফ্লাইং ডক্টর সার্ভিস। এছাড়া আরেকটি সংস্থা হচ্ছে আর্মি উইডোজ অ্যাসোসিয়েশন। যেটি যুদ্ধে নিহত সামরিক বাহিনী কর্মকর্তাদের বিধবা স্ত্রীদের নিয়ে গঠিত। কিন্তু তাদের এসব কথা মানছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটির একটি ডিসকাউন্ট এয়ারলাইন কনেকে দিচ্ছে একপাল গরু উপহার। বাবা-মা'র রেকর্ড ভঙ্গবাবা-মা'র রেকর্ড ভাঙলেন প্রিন্স উইলিয়াম। ১৯৮১ সালের ২৯ জুলাই তার মা ডায়ানাকে বিয়ে করেছিলেন প্রিন্স চার্লস। সেই বিয়ের অনুষ্ঠান টেলিভিশনে যত সংখ্যক মানুষ উপভোগ করেছিলেন, প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের বিয়ে উপভোগ করেছে তার দ্বিগুণ মানুষ। আর তাদের সংখ্যা ছিলো প্রায় ২০০ কোটি। টেলিভিশন ইতিহাসেও এ সংখ্যা এক নতুন রেকর্ড করেছে।আমন্ত্রণ পাননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টবিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান দেশ বলা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিয়েতে দাওয়াত পাননি এ ক্ষমতাধর দেশটির প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ায় হয়তো এতো বড়ো একটি অনুষ্ঠান থেকে বাদ পড়েছেন তিনি ও তাঁর পরিবার। প্রায় ৪০টি দেশের রাজপরিবার এ বিয়েতে দাওয়াত পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, স্পেন, থাইল্যান্ডের রাজারাও রয়েছেন। এমনকি বিয়েতে বৃটনের সরকারি কর্তারা, আফগানিস্তান যুদ্ধে আহত হয়েছেন তারাও দাওয়াত পেয়েছেন।রাস্তায় রাস্তায় পার্টি:কেট-উইলিয়ামের বিয়েতে অংশ নিতে পেরেছেন হাতে গোনা কিছু মানুষ। তাই বলে দেশের মানুষ এ আনন্দ থেকে দূরে থাকবে? এ বিয়ের উদ্দেশ্যে ব্রিটেনে প্রায় ৫ হাজার ৫শ স্থানে সেলিব্রেটি পার্টি বসে। এর মধ্যে হার্টফোর্টশায়ারে ২৯৮টি, সারেতে ২০৫টি, কেন্টে ১৮২টি, ব্রাইটনে ১৬টি, সাউদাম্পটনে ১৭টিসহ বিভিন্ন রাজ্যে এসব পার্টি বসে। এজন্য আগে থেকেই ওইসব এলাকার রাস্তা বন্ধ করে দিতে সরকারের কাছে আবেদন করে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। ভালো রানী কেটরাজপরিবারের জন্য একজন ভলো মেয়ে খোঁজা হচ্ছিল, যে কিনা ব্রিটিশ জনগণকে সন্তুষ্ট করতে পারবে। সেই সাথে তার গায়ে থাকবেনা কোন কলঙ্ক। রাজপরিবারের মতে কেট মিডলটন এমনই একজন মেয়ে। সে জন্য তাকে যোগ্য বলেই রায় দেয়া হয়েছে। শুধু যে রাজ পরিবার এ রায় দিয়েছে তা কিন্তু নয়। কেটকে রায় দিয়েছে ব্রিটিশ জনগণও। বেশ কিছুদিন ধরে ব্রিটিশ রাজপরিবারের এ বিয়েতে মেতে ছিলো মিডিয়া। কেট আর উইলিয়ামকে নিয়ে অনলাইনে হয়েছে অনেক জরিপ। সেখানেই কেট মিডলটনকে রায় দিয়েছে বৃটেনের নাগরিকরা। একটি অনলাইন জরিপে বলা হয় কেট মিডলটন একজন ভালো রানী হবেন। এর সপক্ষে ভোট পড়েছে শতকরা ৫৭ ভাগ। বিপক্ষে মাত্র ৪ ভাগ। আর বাকিরা এ বিষয়ে কোন মত দেননি।নৃত্যে ভীতু উইলিয়ামআগে থেকেই বিয়ের সবকিছুর মহড়া হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয়ে মহড়া দিতে হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন প্রিন্স উইলিয়াম। আর তা হলো কেটের সঙ্গে নাচা। কারণ, বিয়ের পর কেটের সঙ্গে নাচের ব্যাপারে একটু ভয়ে ছিলেন প্রিন্স উইলিয়াম। বন্ধুদের তিনি বলেছিলেন নাচতে গিয়ে যদি কেটের আঙ্গুল থেতলে দেই তবে সব অনুষ্ঠানই শেষ হয়ে যাবে। স্কুলছাত্রী কেটরাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক টাইটেল ব্যবহার করে বিয়ের সময় সিগনেচার করতে হয়েছে কেটকে। আর সে জন্য আগে থেকেই বহুবার অনুশীলন করতে দেখা গেছে। এ সময় তাদের দেখে মনে হয়েছে নতুন করে যেন স্কুলে ভর্তি হয়েছেন তিনি। সিগনেচার ঠিক মতো হচ্ছিলনা দেখে মাঝে মাঝে বিরক্তও হয়েছেন কেট। তবে, শেষমেষ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে স্বাক্ষর করে ইতিহাসের অংশ হলেন মিডলটন কেট। উইলিয়ামের প্রতিজ্ঞারয়েল এয়ার ফোর্সে প্রিন্স উইলিয়ামের সহকর্মীরা বেশ কিছুদিন ধরেই 'উইল অ্যান্ড কেট' লেখা মগে কফি খেয়ে উইলিয়ামকে রাগাতেন। এমনকি বন্ধুরা তাকে বাধ্য করেছেন ওই মগে করে কপি খেতে। এ বিষয়ে বন্ধুদের সামনে কিছু না বললেও ভিতরে ভিতরে যে উইলিয়াম ঠিকই আমলে নিয়েছেন বিয়ের অনুষ্ঠানে তার একটা কথায় বুঝা যায়। বন্ধুদের সাথে বিয়ের অনুষ্ঠানের ফাঁকে আড্ডা দেয়ার সময় তিনি প্রতিজ্ঞা করে বলেন, বিয়ের পরপরই যে কোন উপায়েই হোক মগগুলো আমি ভাঙবই। বাজিকরদের বাজিবিশ্বের এমন কোন বিষয় নেই যেখানে বাজিকরদের হাত নেই। তাই বলে এই ব্রিটিশ পরিবারের বাজি? তবে, বিয়ের অনুষ্ঠানে যেতে পারেনি কোন বাজিকর। দূর থেকেই খেলতে হয়েছে তাদের বাজির খেলা। উইলিয়াম আর কেট গত ৮ বছর ধরে একে অপরের চেনা-জানা থাকলেও বাজিকরদের বাজি তাদের বিপক্ষে। আগামী ১০ বছরের মধ্যেই ভাঙছে এ দু'জনের সংসার, এমন বাজিই ধরেছে বাজিকররা।হ



« পূর্ববর্তী সংবাদ
আন্তর্জাতিক - এর আরো খবর
প্রিন্স উইলিয়াম
কেট মিডলটন
হোম ¦ শীর্ষ প্রতিবেদন ¦ কড়চা ¦ অপ্রিয় বচন ¦ বিশেষ প্রতিবেদন ¦ সদর-অন্দর ¦ ন্যায়-অন্যায় ¦ মুক্ত মঞ্চ ¦ কাছে দূরে ¦ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ¦ খেলাধুলা ¦ আন্তর্জাতিক ¦ প্রবাস ¦ সুন্দর জীবনের জন্য ¦ রদবদল ¦ জানা-অজানা ¦ সম্পাদকীয়
2011 © Copyright to SheershaNews.Powered By : orangebd