« পূর্ববর্তী সংবাদ |
 |
¦ |
|
|
| |

মোটা হলে এই হয়, সেই হয়_ কত কিছুই না শোনা যায়। মোটা মানুষ কীভাবে ওজন কমাতে পারে সে ব্যাপারেও অনেক পরামর্শ পাওয়া যায়। কিন্তু ওজন অস্বাভাবিক রকম কম হলে কী সমস্যা হতে পারে সে ব্যাপারে কিন্তু বেশি কিছু জানা যায় না। তরুণী গিয়াদ্রেকে দেখে তার বন্ধু ফ্রাঙ্কের মন্তব্য, 'ইস্, আমি যদি তোমার মত হতে পারতাম!' এখানে গিয়াদ্রের ওজন অস্বাভাবিক রকমের কম। আর ফ্রাঙ্কের উল্টো। তার ওজন আবার একটু যেন বেশিই বেশি।সারা বিশ্বে ফ্রাঙ্কের মতো লোকের অভাব নেই। কিন্তু গিয়াদ্রের মতো লোকের সংখ্যা একটু কমই। যেমন জার্মানিতে গিয়াদ্রের মতো মহিলার সংখ্যা শতকরা মাত্র দেড় শতাংশ। আর পুরুষদের মধ্যে এই সংখ্যা আরও কম। মাত্র ০.৪ শতাংশ। পরিসংখ্যানটা জার্মান পুষ্টি সোসাইটির। জার্মানির খাদ্য, কৃষি ও কনজিউমার সংরক্ষণ মন্ত্রণালয়ের হয়ে প্রতি চার বছর পরপর তারা পুষ্টির উপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানেই দেয়া হয়েছে এসব তথ্য।'জার্মান ডায়েটারি অ্যাডভাইস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক' এর বিজ্ঞানীরা বলছেন একজনের ওজন কম থাকা মানে হলো তার পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব রয়েছে। যে কারণে সে নানান রোগে ভুগতে পারে। যেমন মাংসপেশীর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া এবং রোগ-শোক থেকে মুক্তি পেতে যথেষ্ট শক্তির অভাব।তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, একজন মোটা মানুষ যত সহজে ওজন কমাতে পারে, কম ওজনওয়ালা একজনের পক্ষে ততটা সহজে ওজন বাড়ানো সম্ভব হয় না। এর কারণ হলো যাদের ওজন কম তারা হয় বেশি খেতে অনিচ্ছুক, না হয় চাইলেও বেশি খেতে পারে না। আবার এমনও আছে যে, হয়তো কেউ ঘোড়ার মতো খেয়েই যাচ্ছে, কিন্তু সেটার ফল শরীরে লাগছে না। আবার মোটা হওয়ার জন্য বেশি বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়াও ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য বিষয়ক একজন বিশেষজ্ঞ।কিন্তু কেন মানুষের ওজন এত কম হয়? জানা গেছে, মূলত বয়স্করাই এ ধরনের সমস্যায় ভুগতে পারে। কারণ, হয় তাদের ক্ষুধা লাগে না বা বয়সের কারণে তারা চিবিয়ে খাওয়ার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া মারাত্মক অসুখ বা কেমোথেরাপির জন্য যে কোনো বয়সের মানুষের ওজন কমতে পারে। প্রচ- মানসিক বা আবেগজনিত চাপের কারণে তরুণদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।